ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম 2025

 

ডান্স বাংলা ব্যাংকের একাউন্ট খোলার নিয়ম ও পদ্ধতি সম্পর্কে ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্ট খোলার নিয়ম হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা। আমাদের দেশে ৬৪ টি জেলায় প্রায় সকল জেলায় ডাচ বাংলা শাখা রয়েছে,

 ডাচ বাংলা ব্যাংক এটি একটি বহুল প্রচলিত ব্যাংক। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতে পারে এর জন্য  অবশ্যই আপনার বা আমার একটি ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে ।তাহলে চলুন কিভাবে ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হয় তার নিয়ম জেনে নেই

পেজ সূচিপত্রঃDBBL একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্টের প্রকারভেদ

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কত টাকা লাগে

ডাচ বাংলা ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট-খোলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

ডাচ বাংলা ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম

ডাচ বাংলা ব্যাংকে সুবিধা ও অসুবিধা

ডাচ-বাংলা ব্যাংকে লোন নেওয়ার পদ্ধতি

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট বন্ধ করার নিয়ম


ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্টের প্রকারভেদ

ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্টের প্রকারভেদ সম্পর্কে জানব এর আগে আমাদের কিছু জিনিস জানা প্রয়োজন ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট এর অধীনে অনেকগুলি একাউন্ট রয়েছে এর মধ্যে থেকে আমরা কোন অ্যাকাউন্ট খুলবো তা নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে আমি আপনাদেরকে এই আর্টিকেলের মধ্যে জানাব  ডাচ বাংলা একাউন্টে প্রকারভেদ সম্পর্কে।ডাচ বাংলা ব্যাংকের অধীনে আপনি মোট দুইটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।যেমনঃ ১/ স্টুডেন্ট একাউন্ট ২/ সেভিং একাউন্ট 

এই দুটি অ্যাকাউন্ট  ডাচ বাংলা ব্যাংকের প্রধান বা মূল অ্যাকাউন্ট এর অধীনে আরো মোট সাতটি ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে। যেমনঃ ১।সেভিং ডিপোজিট একাউন্ট স্ট্যান্ডার্ড ২। সেভিং ডিপোজিট একাউন্ট প্লাস ৩। এক্সেল সেভিং একাউন্ট ৪। ডিবিবিএল স্কুল সেভাস অ্যাকাউন্ট ৫। ইন্টারনেট ফ্রি সেভিং ডিপোজিট একাউন্ট ৬। কারেন্ট ডিপোজিট একাউন্ট ৭। স্পেশাল নোটিশ ডিপোজিট একাউন্ট।

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে প্রয়োজনীয় কাগজ

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে যেসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগে তা একমাত্র নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের অ্যাকাউন্ট খুলবেন। ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট এটি একটি বহুল জনপ্রিয় ব্যাংক একাউন্ট তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নেই প্রয়োজনীয় সেই কাগজ পত্র গুলি
জাতীয় পরিচয় পত্রের একটি ফটোকপি ,পাসপোর্ট সাইজের ৪ কপি ছবি,আপনি যাকে নমনি করবেন তার আইডি কার্ডের ফটোকপি ফটোকপিনমিনির দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি বিদ্যুৎ বিলের একটি ফটোকপি।তাছাড়া স্টুডেন্ট আইডির জন্য স্টুডেন্ট আইডি কার্ড, এসএসসির মার্কশিট অথবা সার্টিফিকেট এই কয়েকটি কাগজ সাধারণত ডাচ বাংলা একাউন্ট খুলতে প্রয়োজন হয়।

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারেন আপনি দুইভাবে ১। অনলাইনের মাধ্যমে ২। ডাচ বাংলা শাখা ।অনলাইনের মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে থেকে ডাচ বাংলা একাউন্ট খুলতে পারেন অথবা আপনি কোন পার্শ্ববর্তী শাখায় গিয়ে ডাচ-বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারেন অথবা আপনি ঘরে বসে নিজের মোবাইল দিয়েও ডাচ-বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারেন তাদের ডাচ বাংলা ওয়েবসাইট রয়েছে সেখানে গিয়ে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ডাচ বাংলা একাউন্ট খুলতে পারেন

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কত টাকা লাগে

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট দুই ধরনের হয়ে থাকে একটি আছে ৫০০ টাকার আরেকটি আছে ৫০০০ হাজার টাকা জমা দিয়ে আপনি একাউন্ট খুলতে পারেন। ৫০০ টাকা ব্যালেন্স রেখে আপনি যে একাউন্টটি খুলবেন সেখানে আপনি দিনে একবার ৫০,০০০ টাকা ঐড্য করতে পারবেন। আর ৫০০০ হাজার টাকা আপনার ব্যালেন্স রেখে যে একাউন্টটি খুলবেন সেখানে আপনি দিনে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঐড্য করতে পারবেন।

ডাচ বাংলা ব্যাংকে স্টুডেন্ট- একাউন্ট-খোলার প্রয়োজনীয় কাগজ

 স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে হলে আপনাকে যে কোন একটি ডাচ-বাংলা ব্রাঞ্চে যেতে হবে। আপনার বয়স যদি 18 বছর হয় তাহলেও একটি ডাচ-বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবে এর নিচে হলেও আপনি আপনার গার্জিয়ান কে নিয়ে গিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারেন। তাছাড়াও আরও একটি একাউন্ট রয়েছে ১৮ বছরের নিচে হলেও খোলা যায় গার্জিয়ান প্রয়োজন হয় না। আপনি কোন ধরনের একাউন্ট খুলতে চান তা আপনার উপর নির্ভর করে

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর ১ টি ফটো কপি অথবা স্টুডেন্ট আইডি কার্ড ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের ৪ কপি ছবি, নমিনির এনআইডি কার্ড এর ফটোকপি ১ কপি, নমিনির এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, আপনি যে বাসায় থাকেন সেই বাসার বিদ্যুৎ দিলে একটি ফটোকপি, ডাচ বাংলা ব্যাংকে একাউন্ট আছে এরকম একজন ব্যক্তির স্বাক্ষর প্রয়োজন হতে পারে।

ডাচ বাংলা ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম

স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে হলে আপনাকে যে কোন একটি ডাচ-বাংলা ব্রাঞ্চে যেতে হবে। আপনার বয়স যদি 18 বছর হয় তাহলেও একটি ডাচ-বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবে এর নিচে হলেও আপনি আপনার গার্জিয়ান কে নিয়ে গিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারেন। তাছাড়াও আরও একটি একাউন্ট রয়েছে ১৮ বছরের নিচে হলেও খোলা যায় গার্জিয়ান প্রয়োজন হয় না।

ডাচ বাংলা ব্যাংকে সুবিধা ও অসুবিধা

ডাচ বাংলা ব্যাংকের প্রধান সুবিধা হল এই ব্যাংকের অসংখ্য শাখা রয়েছে। যেখান থেকে আপনি যখন মন চাবে তখনই টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। দ্বিতীয় সুবিধা হল বাংলাদেশে অনেক এটিএম বুথ রয়েছে এটিএম বুথ থেকে রাত দিন 24 ঘন্টা টাকা তোলার সুবিধা। তৃতীয় সুবিধা বিভিন্ন রকম ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলা যায়। চতুর্থ সুবিধা ফ্রি ইন্টারনেট ব্যাংকিং, এছাড়াও আরো কিছু সুবিধা রয়েছে যেগুলি আমি নিচে বর্ণনা করতেছি।

 ১/ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট পয়েন্টে  অ্যাকাউন্ট ১০ টাকা দিয়ে খোলা যায়

2/সেভিংস একাউন্ট পাঁচশো টাকা ফি দিয়ে একাউন্ট খুলতে হয় 

৩/এজেন্ট পয়েন্ট থেকে টাকা তুললে সম্পূর্ণ থ্রিতে আপনি টাকা তুলতে পারবেন । এজেন্ট পয়েন্টের টাকা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে তুলতে হয় এই কারণে সেখানে আপনার ১০০% সিকিউরিটি থাকে।

৪। ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট একাউন্ট  ও সেভিং একাউন্ট দুটি অ্যাকাউন্টেই ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে আপনার দুটি একাউন্টেরই চার্জ প্রযোজ্য হবে।

৫। ডাচ বাংলা ব্যাংকে ব্রাঞ্চের একাউন্টে প্রতি ছয় মাস অন্তর অন্তর যে বাৎসরিক চার্জ প্রযোজ্য হয়।

৬। ২০২২ সালের আগে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ও সেভিং একাউন্ট থেকে আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য হতো না। ২০২২ সালের পরে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ও সেভিং একাউন্ট থেকে আমদানি শিল্প প্রযোজ্য হয়।

৭। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট একাউন্ট এর এসএমএস অ্যালার্ট চার্জ প্রযোজ্য হয় না।

৮। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ব্রাঞ্চের একাউন্ট এর এসএমএস এলার্ট চার্জ প্রযোজ্য হয়।

৯। ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট একাউন্টের উপর বিদেশি রেমিটেন্সের টাকার উপর ইনসেটিভ সুবিধা রয়েছে।

১০। ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্রাঞ্চ একাউন্টের উপর বিদেশি রেমিটেন্সের টাকার উপর ইনসেটিভ সুবিধা রয়েছে।

১১। ডাচ বাংলা সেভিংস একাউন্ট এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ডাচ বাংলা এটিএম বুথ থেকে ফ্রিতে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন কোন চার্জ ছাড়াই।

১২। এজেন্ট এটিএম কার্ড দিয়ে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তের যেকোনো এটিএম বুথ থেকে থ্রি তে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন কোন চার্জ ছাড়াই।

১৩। ডাচ বাংলা এজেন্ট পয়েন্টের সেভিং একাউন্ট দিয়ে নিজ জেলায় টাকা জোমা ও উত্তোলন করতে কোন চার্জ প্রযোজ্য হয় না। তবে অন্য কোন জেলায় গিয়ে টাকা জোমা ও উত্তোলন করলে সামান্য কিছু চার্জ প্রযোজ্য হয়।

আশা করি আমি এই আর্টিকেলের মধ্যে যে ডাচ বাংলা ব্যাংকের সুবিধা ও অসুবিধা কথা বলেছি তা হয়তো আপনি নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন তবে যদি বুঝতে কোন সমস্যা হয় নিশ্চয় আমাকে জানাবেন অথবা এই কন্টেন্টের মধ্যে যদি কোন জায়গায় ভুল থাকে তাহলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন তা পরবর্তীতে আমি ঠিক করে নিব।

ডাচ-বাংলা ব্যাংকে লোন নেওয়ার পদ্ধতি

প্রথমে আমরা জানবো যে এই লোন কাদের জন্য সুবিধা,১। বেতনভোগী ব্যক্তি ২। পেশাদার ব্যক্তি, যেমন, ডাক্তার ,প্রকৌশলী স্থপতি, এফসিএ, সিএ ইত্যাদি ৩। দাড়ির মালিক, বাড়িওয়ালা ৫। ব্যবসায়ী

এই লনের পরিমাণ কত টাকা হতে পারে
ডাচ বাংলা ব্যাংক সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকে

লোন পরিশোধের মেয়াদ
১ থেকে ৫ বছর, ১২ থেকে ৬০ সমান কিস্তি হতে পারে

ডাচ বাংলা ব্যাংকের লোন পেতে -মাসিক কত টাকা আয় থাকতে হবে
আপনি যদি সেলারি মাসে ২৫ হাজার টাকা হয় তাহলে আপনি এই লোন নিতে পারবেন, আর বাড়িওয়ালার ক্ষেত্রে, অথবা জমির মালিক ওয়ালা ক্ষেত্রে মাসিক ইনকাম ৩০ হাজার টাকা হতে হবে, ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে মাসিক ইনকাম ৫০ হাজার টাকা হতে হবে তাহলে আপনি এই লোন পাবেন।
এই লোন নিতে যেসকল কাগজ প্রয়োজন হয়
ডাচ বাংলা ব্যাংকের লোন নিতে প্রথমে আপনাকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে যেতে হবে সেখান থেকে লোন আবেদন পত্র সংগ্রহ করতে হবে। রঙিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ন্যাশনাল আইডি কার্ড এর ফটোকপি। ব্যাংক স্টেটমেন্ট। ইলেকট্রিক বিলে ফটোকপি। ৫ লক্ষ টাকার উপর হলে টেক্স  সার্টিফিকেট।

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট বন্ধ করার নিয়ম


ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট বন্ধ করার জন্য আপনার একাউন্টের information সহ আপনার পাসপোর্ট সাইজের এক কপি রঙ্গিন ছবি ও আপনার ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে যে শাখায় আপনি অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন ওই শাখায় আসতে হবে।

আরো দুইটি উপায়ে আপনি আপনার একাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে পারেন, একটি হলো আপনি যে শাখা অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন ওই শাখায় লিখিত নোটিশ দিতে পারেন অথবা অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দেওয়ার মাধ্যমে আপনার একাউন্টটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে পারেন।

আপনার ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট বন্ধ করার সময় ব্যাংকের কর্মকর্তা আপনার একাউন্টের স্থিতি ও প্রদর্শক প্রদান করবে প্রয়োজনীয় চার্জ এবং সরকারের কর্তৃক অর্পিত রেখে আপনার একাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ব্যবহারিত চেক ও বইয়ের পাতা ডেবিট কার্ড ও অন্যান্য কাগজপত্র গুলো সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিতে হবে উক্ত কাগজ যদি কোনটা হারিয়ে যায় বা চুরি হয়ে যায় সেটার জন্য থানায় জিডি করে কপি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে এভাবে আপনি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে পারেন

যদি আপনারা অনেকদিন আপনাদের অ্যাকাউন্ট লেনদেন না করে থাকেন সেক্ষেত্রে অনেক সময় আপনাদের অ্যাকাউন্ট টেম্পারি ব্লক করে রাখা হয়, ওই অবস্থায় আপনারা আবার লেনদেন চালু করেন তাহলে আপনাদের অ্যাকাউন্টটি আবার সচল হয়ে যাবে। এমন অবস্থায় দীর্ঘদিন পরে থাকলে আপনার অ্যাকাউন্ট একসময় স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

শেষ কথাঃ


এতক্ষণে আমরা এই আর্টিকেলে ডাচ-বাংলা ব্যাংক একাউন্টের বিভিন্ন তথ্যের কথা জানলাম যা জেনে হয়তো আপনাদের অনেক উপকার হবে। তবে আপনারা যদি এখানে কোন ভুল পেয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন তা পরবর্তীতে আমি ঠিক করে দিব ইনশাআল্লাহ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url